লেখক: 

ফামিশা হক পুষ্প

নবম শ্রেণি। রোল: ০১
বলদীঘাট জান মাহমুদ সরকার উচ্চ বিদ্যালয়
কথায় আছে, সময় ও স্রোত কার জন্য অপেক্ষা করে না। সময়ের গতিতে জীবনের স্মৃতিসুলভ সময় গুলো কুয়াশা ঘেরা সকালের মতো নিমিষেই পার হয়ে যায়। তার উদাহরণ হিসেবে আমাদের স্মৃতি পূর্ণ শৈশবের কথাই ধরা যাক। 


শৈশব মানেই দুরন্তপনা:


মধুময় আলিঙ্গনে ভরপুর স্বপ্ন জাগানিয়া সৃষ্টি সুখের উল্লাসের সময়।  

শৈশবের কথা মনে পড়তে স্মৃতিতে ভেসে ওঠে কত না সুখময় স্মৃতি। 

শৈশব কষ্টদায়ক হোক কিংবা বিলাসিতার, শৈশবের স্মৃতিযুক্ত দিনগুলোকে স্মরণ না করে কোন প্রাণ বেঁচে থাকতে পারে না। 

পরিপূর্ণ জীবনে হোক তিনি প্রধানমন্ত্রী,রাষ্ট্রপতি কিংবা গণ্যমান্য ব্যক্তি; শৈশবের স্মৃতির কাছে তিনি নিতান্তই একজন খোকা।  প্রতিটা মানুষ এসবের স্মৃতিগুলোকে আঁকড়ে থাকতে চায়। সব ছেলেমেয়ের জীবনেই থাকে কত রকম গল্প শোনা, শীতের সকালে ঘুম থেকে উঠে খেজুর গাছ থেকে রস করানোর দৃশ্য এবং শিশিরবিন্দু দৃশ্য দেখার জন্য দল বেঁধে ছুটে যাওয়া।  সবাই জড়ো হয়ে ঘুড়ে বেড়ানো। সেই চোর পুলিশ ইত্যাদি বিভিন্ন রকমের মজার সব খেলা। 

গ্রীস্মের ঝড় বাদলের দিনে পাড়ার আম গাছের তলায় প্রতিযোগিতা করে আম কুড়াতে যাওয়া। 

ছেলেপুলে মেলে স্তব্ধ সড়ক দুপুরে ঘুঘুর ডাক শোনার জন্য অধীর আগ্রহে বসে থাকা। 

শৈশব মানে প্রচন্ড শীতে সবাই মিলে আগুন তাপানো। হিমালয়ের বরফ চূড়া থেকে ছড়িয়ে পড়া হিম শীতল বাতাসে  হিম হয়ে কাঁপতে কাঁপতে ঘরে ফেরা। টুপাভাতিতে কলাপাতার পান্তা ভাতের সাথে কাঁচা মরিচের স্বাদ আধুনিক যুগের বিলাসযোগ্য খাবার কেউ হার মানায়। কোথায় গেল সেই মায়া ভরা শৈশব।